পোস্টগুলি

মে, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চাকর-বাকর থাকা সত্ত্বেও আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা ঘরের সমস্ত কাজ নিজেই করতেন।

ছবি
 চাকর-বাকর থাকা সত্ত্বেও আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা ঘরের সমস্ত কাজ নিজেই করতেন।  নবিজির সব প্রয়োজনীয় কাজগুলো তিনি করতেন নিজ হাতে। আটা পিষা থেকে শুরু করে রান্নাবান্না, বিছানা গোছানো, রাসূলের ওযুর পানি এগিয়ে দেওয়া, তাঁর কুরবানির পশুর মালা বানানোসহ সবকাজই করতেন তিনি।  এ ছাড়া তিনি নিজ হাতে রাসূলের চুল আঁচড়ে দিতেন। সুগন্ধি লাগিয়ে দিতেন। তাঁর কাপড়-চোপড় ধুয়ে দিতেন। রাতের বেলা মেসওয়াক বানিয়ে দিতেন তাঁকে। সেই মেসওয়াক আবার সুন্দর করে ধুয়ে রাখতেন।  তেমনিভাবে রাসূলের ঘরে আসা মেহমানদের যাবতীয় মেহমানদারির ব্যবস্থাও করতেন তিনি। তাঁর মেহমানদারীর কথা তুলে ধরেছেন আসহাবে সুফফার অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট সাহাবি কায়স গিফারি রা.। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদা আমাদেরকে বললেন, আয়েশা রা. –এর ঘরে যেতে। আমরা সেখানে গেলে তিনি বললেন, হে আয়েশা! খাওয়ার ব্যবস্থা কর আমাদের। তিনি তখন হাশিশা (গম পিষে তাতে গোশত বা খেজুর দিয়ে বানানো খাবার বিশেষ) পরিবেশন করলেন আমরা তা খেলাম।  তারপর তিনি আবার বলেলেন, হে আয়েশা! আরো খাবার দাও আমাদেরকে। এবার তিনি কবুতরের মতো সাম...

একবার ভেবেছিলাম, নৌকা নিয়ে এই নদীপথে যদি চলতে থাকি তাহলে কি একদিন আমি পৌঁছে যাবো হিজাযের ভূমিতে

 একবার ভেবেছিলাম, নৌকা নিয়ে এই নদীপথে যদি চলতে থাকি তাহলে কি একদিন আমি পৌঁছে যাবো হিজাযের ভূমিতে! নাকি সাগরের উত্তাল ঢেউয়ে ভেঙ্গে যাবে আমার নৌকা! ডুবে যাবে আমার স্বপ্ন! সেদিন নদীর বুকে নৌকায় বসে আমার বুকে অপূর্ণ স্বপ্নের যে বেদনা জেগেছিলো, মনে হলে এখনো হৃদয়ে মধুর অনুভূতি জাগে। সেই বেদনা আবার আরো বেশি করে পাওয়ার ইচ্ছা জাগে। উপরে তারাভরা আকাশে তাকিয়েছিলাম ব্যাকুল নয়নে। তারকার ঝিলিমিলি ছাড়া কিছু দেখিনি, কিন্তু বিশ্বাস ছিলো, এই ঝিলমিল তারকার আলোক- সজ্জার আড়ালে যিনি আছেন তিনি দেখতে পান এবং শুনতে পান। তিনি দয়া করেন এবং দান করেন। তাই হৃদয়ের সবটুকু আকুতি ঢেলে সেদিন দু'আ করেছিলাম আম্মার জন্য, আব্বার জন্য এবং নিজের জন্য; সবার স্বপ্নের পূর্ণতার জন্য। ... তখন ছিলো লটারী নামের বেদনাদায়ক এক উৎকণ্ঠা, নাম আসবে কি আসবে না; কী আছে ভাগ্যে, হাসি, না কান্না! আব্বার মুখমণ্ডলে আশা ও আশংকার এক অপূর্ব আলো-ছায়া। একবার যেন চাঁদের আলো, একবার যেন মেঘের ছায়া। আব্বার নাম যখন ঘোষিত হলো, তিনি বসা থেকে উঠলেন এবং ওঠা থেকে বসলেন। তিনি হাসলেন এবং কাঁদলেন। মুখে হাসি, চোখে কান্না। হায়, তোমাকে যদি দেখাতে প...

১৩৪৮ খ্রিষ্টাব্দ। ৭৪৯ হিজরি। মিসরে ছড়িয়ে পড়ে মহামারি–কালোমৃত্যু।

 ● ১৩৪৮ খ্রিষ্টাব্দ। ৭৪৯ হিজরি। মিসরে ছড়িয়ে পড়ে মহামারি–কালোমৃত্যু। আরবিতে যাকে 'আল-মাওতুল আসওয়াদ, এবং ইংরেজিতে যাকে 'ব্ল্যাক ডেথ' বলা হয়। মানবসভ্যতার ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড়, ভয়ংকর ও মারাত্মক মহামারি ছিল। এই মহামারি প্রায় একলাখ মিসরি নাগরিকের জীবন কেড়ে নিয়েছিল। কায়রোর মতো বড় শহরে রোজ একহাজার লোক মারা যেত! ● জনাকীর্ণ শহর কায়রো হয়ে পড়েছিল বিরান; তার রাস্তাঘাটে দৃষ্টিগোচরীভূত হতো না কোনো পথিক! কায়রোর দক্ষিণদিক 'বাবুয যাওয়িলাহ' থেকে যদি কোনো লোক হেঁটে যেত কায়রোর উত্তরদিক 'বাবুন নাসির'র দিকে, তাহলে পুরো রাস্তায় কাউকে নজরে পড়ত না। সবই গিয়েছিল মরে। আর যারা ছিল বেঁচে, তারাও ব্যস্ত ছিল লাশের পর লাশের দাফন-কাফনে। কায়রোর রাস্তাঘাটে ধূলোবালু জমা হয়ে এমন অবস্থা হয়েছিল যে, বুঝা যেত–এটি কোনো মানবের শহর নয়; অশরীরী আত্মার বসবাসের শহর!  ● মানুষের চেহারা হয়ে গিয়েছিল বিবর্ণ। ঘরে ঘরে ছিল কান্নার রোল। কোনো ঘরের পাশ দিয়ে গেলেই শোনা যেত বুক চাপড়ানো মাতম। কোনো গলি দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়ত লাশ আর লাশ। একটি খাটিয়া আরেকটি খাটির সাথে এতোই লাগোয়া ছিল যে, দেখতে মনে হতো লাশের মিছিল! একই কবরে দ...

আমার পছন্দের একটি দোয়া

 রব্ববনিলী ইনঁদাকা বাইতাঁন ফিল জান্নাঁতি অনাজ্বজ্বিনী। হে রব"আপনার কাছে বেহেশতে আমার জন্য একখানা ঘর বানান।মিনঁফির আউনা অ'মালিহী অনাজ্বজ্বিনী মিনাল ক্বওমিজ্ জোয়া-লিমীন। আমাকে মুক্তি দিন ফেরউন ও তার দুস্কর্ম হতে।আমাকে জালিমদের হাত থেকে উদ্ধার করুন। দোয়াটি আমার খুবই পছন্দ হয়েছে।খুবই চমৎকার একটা দোয়া। দোয়াটি পাবেন সূরা তাহরীম এর এগারো  নাম্বার আয়াতে।ফেরউন এর স্ত্রী এই দোয়াটি করেছেলিন, এটি একটি কবুল কৃত দোয়া। নবীজি ছঃ এর উম্মতের জন্য  পবিত্র কোরানে আল্লাহ বলে  দিয়েছেন।।  আমল করতে পারেন ইন শা আল্লাহ।  ____________________________________✍️